sean penn — BD news

Sean penn: শিয়ান পেন: একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী এবং ইউক্রেনের বন্ধু

শ্রোতাদের কী বলছেন

“শিয়ান, তোমার জন্যই আমরা জানি কীভাবে ইউক্রেনের সত্যিকারের বন্ধু হতে হয়।” এই মন্তব্যটি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির, যিনি শিয়ান পেনের প্রতি তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। পেন, যিনি সম্প্রতি তার নতুন সিনেমা “ওয়ান ব্যাটেল আফটার অ্যানাদার” এর জন্য একাডেমি পুরস্কার জিতেছেন, কিন্তু তিনি ২০২৬ সালের ১৫ মার্চ অনুষ্ঠিত অস্কার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না।

পেনের পুরস্কারটি কিয়েরান কুলকিন গ্রহণ করেন, যিনি তার পক্ষ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন। পেনের অনুপস্থিতি যদিও অনেকের জন্য বিস্ময়কর ছিল, তবে তার ইউক্রেনে উপস্থিতি এবং দেশটির প্রতি তার সমর্থন তার কাজের মাধ্যমে স্পষ্ট।

পেন ১৬ মার্চ ইউক্রেনে গিয়ে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সাথে সাক্ষাৎ করেন। তিনি ২০২২ সালে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের পর থেকে ইউক্রেনের প্রতি তার সমর্থন প্রদর্শন করতে একাধিকবার দেশটি সফর করেছেন। পেনের ডকুমেন্টারি “সুপারপাওয়ার” ২০২৩ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি বার্লিন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রিমিয়ার হয়।

পেনের কাজের জন্য ইউক্রেন সরকার ২০২২ সালে তাকে তৃতীয় শ্রেণীর গুণপত্র প্রদান করে। তার এই অবদান এবং সমর্থন ইউক্রেনের জনগণের প্রতি তার গভীর সহানুভূতির পরিচয় দেয়। পেনের এই পুরস্কারটি তার ক্যারিয়ারের তৃতীয় একাডেমি পুরস্কার, যা তার অভিনয় দক্ষতার একটি বড় স্বীকৃতি।

জেলেনস্কি বলেন, “তুমি প্রথম দিন থেকেই ইউক্রেনের সাথে দাঁড়িয়ে আছো। এবং আমরা জানি যে তুমি আমাদের দেশ এবং আমাদের জনগণের সাথে দাঁড়িয়ে থাকবে।” এই মন্তব্যগুলি পেনের প্রতি ইউক্রেনের জনগণের কৃতজ্ঞতা এবং সমর্থনের একটি চিত্র তুলে ধরে।

অস্কার অনুষ্ঠানে উপস্থিত না থাকার ঘটনা নতুন নয়; ২০২৪ সালে হায়াও মিয়াজাকি পুরস্কার গ্রহণ করতে উপস্থিত হতে পারেননি। তবে পেনের ক্ষেত্রে, তার ইউক্রেন সফর এবং জেলেনস্কির সাথে সাক্ষাৎ তার কাজের প্রতি তার প্রতিশ্রুতি এবং দেশটির প্রতি তার সমর্থনকে আরও শক্তিশালী করে।

পেনের পরবর্তী পদক্ষেপ কি হবে তা এখনো নিশ্চিত নয়, তবে তার ইউক্রেনের প্রতি অব্যাহত সমর্থন এবং চলচ্চিত্র শিল্পে তার অবদান নিয়ে আলোচনা চলবে।