শবে কদর — BD news

শবে কদর: ১৬ মার্চ ২০২৬-এ পালিত হবে

শবে কদর, যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম, ১৬ মার্চ ২০২৬-এ পালিত হবে। এ রাতের ইবাদত প্রায় তিরাশি বছর চার মাসের ইবাদতের সমান সওয়াব বয়ে আনে। ২৬ রমজানের দিবাগত রাতটিই শবে কদর হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

পবিত্র শবে কদর উপলক্ষে ২৭ রমজান সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ রাতে আল্লাহর অসীম দয়া ও রহমতের দরজা খুলে দেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং বলেছেন, “এই রাতে ইবাদত-বন্দেগি ও দোয়ার মাধ্যমে মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক অনন্য সুযোগ সৃষ্টি হয়।”

শবে কদর রাতে মানুষের ভাগ্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়। মসজিদগুলোতে তারাবিহর নামাজে কোরআন খতম সম্পন্ন হবে। আল্লাহ বলেছেন, “নিশ্চয়ই আমি কোরআন নাজিল করেছি লাইলাতুল কদরে।”

শবে কদরের অর্থ ভাগ্যরজনী বা মর্যাদার রাত। এ রাতে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। মানুষ এই রাতে আল্লাহর কাছে দোয়া করে, “হে আল্লাহ! আপনি তো ক্ষমাশীল, আপনি ক্ষমা করতে ভালোবাসেন; অতএব আমাকে ক্ষমা করুন।”

এছাড়া, মুসলমানরা এ রাতে আল্লাহর কাছে কল্যাণ প্রার্থনা করে, “হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের ইহকালে কল্যাণ দান করুন এবং পরকালেও কল্যাণ দান করুন এবং আমাদের দোজখের আজাব থেকে রক্ষা করুন।”

শবে কদর উপলক্ষে মুসলমানদের মধ্যে এক বিশেষ আবেগ ও ধর্মীয় উন্মাদনা দেখা যায়। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা এ রাতে ইবাদত-বন্দেগিতে মগ্ন থাকেন এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করেন।

এখনও কিছু বিষয় নিশ্চিত হওয়া বাকি রয়েছে। তবে, শবে কদরের গুরুত্ব ও তাৎপর্য মুসলিম সমাজে অপরিসীম।