অস্ট্রেলিয়ার সেনাবাহিনীতে নারীদের অংশগ্রহণের হার প্রায় ২১%। তবে, ২০২৬ সালের জুলাই মাসে সুসান কয়েল যখন সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে নিয়োগ পাবেন, তখন এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হবে। কয়েল অস্ট্রেলিয়ার সেনাবাহিনীর ১২৫ বছরের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
এর আগে, অস্ট্রেলিয়ার সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব পুরুষদের দ্বারা পরিচালিত হয়েছে। নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্স ফোর্স ২০৩০ সালের মধ্যে নারীদের অংশগ্রহণ ২৫% এ উন্নীত করার পরিকল্পনা করেছে।
সুসান কয়েল ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে অস্ট্রেলিয়ান সামরিক বাহিনীতে কাজ করছেন। তিনি ১৯৮৭ সালে আর্মি রিজার্ভে তার ক্যারিয়ার শুরু করেন এবং বর্তমানে তিনি চিফ অফ জয়েন্ট ক্যাপাবিলিটিজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
কয়েল বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মিশনে অংশগ্রহণ করেছেন, যেমন সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, টিমর-লেস্তে, আফগানিস্তান এবং পশ্চিম এশিয়া। তার অভিজ্ঞতা তাকে নেতৃত্বের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি প্রদান করে।
রিচার্ড মার্লেস বলেছেন, “আপনি যা দেখতে পাচ্ছেন না, তা হতে পারবেন না।” এই মন্তব্যটি নারীদের সামরিক নেতৃত্বে অংশগ্রহণের গুরুত্বকে তুলে ধরে।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্তোনি আলবানিজ বলেছেন, “জুলাই মাস থেকে, আমরা অস্ট্রেলিয়ার সেনাবাহিনীর ১২৫ বছরের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধান পাব।”
এই নিয়োগের ফলে অস্ট্রেলিয়ার সামরিক বাহিনীতে নারীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হবে এবং এটি সামরিক নেতৃত্বে সমতা ও অন্তর্ভুক্তির দিকে একটি বড় পদক্ষেপ।
কয়েল তার নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর, অস্ট্রেলিয়া যে পরিবর্তনশীল আঞ্চলিক হুমকির মোকাবেলা করছে, সেদিকে নজর রাখবেন।
সুসান কয়েলের নেতৃত্বের উপর নজর থাকবে, কারণ তার অভিজ্ঞতা এবং দৃষ্টিভঙ্গি সামরিক বাহিনীর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এই পরিবর্তনটি কেবল অস্ট্রেলিয়ার সামরিক বাহিনীর জন্য নয়, বরং সামগ্রিকভাবে নারীদের জন্য একটি উদাহরণ স্থাপন করবে।
বিস্তারিত এখনও নিশ্চিত নয়।



