সংখ্যাগুলি
ইরানে চলমান মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধ মানব স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য একটি বিষাক্ত উত্তরাধিকার সৃষ্টি করতে পারে। এই সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ৩০০টিরও বেশি পরিবেশগত ক্ষতির ঘটনা চিহ্নিত হয়েছে। জাতিসংঘ সতর্ক করেছে যে তেলের সুবিধাগুলিতে হামলা গুরুতর পরিবেশগত পরিণতির ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
তেহরানের রাস্তাগুলি তেলের সুবিধাগুলিতে হামলার পর কালো বৃষ্টিতে ঢাকা পড়েছে, যা তেলের সাথে বৃষ্টির মিশ্রণ। তেহরানের ১০ মিলিয়ন জনসংখ্যার মধ্যে ৯ মিলিয়ন বাসিন্দা এই দূষণের দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে। তেল সুবিধার আগুন থেকে ভারী ধোঁয়া স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য বিষাক্ত দূষণ এড়ানোর জন্য বাড়ির ভিতরে থাকার সতর্কতা জারি করেছে।
ইরানের তেল আগুনের দূষণ তুর্কমেনিস্তান এবং পাকিস্তানের দিকে প্রবাহিত হচ্ছে। আবহাওয়ার অবস্থার উপর নির্ভর করে ধোঁয়া বিস্তৃত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ডাগ ওয়িয়ার বলেছেন, “এটি বরফের পাহাড়ের চূড়ার মাত্র একটি অংশ।” তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, “আমরা সাধারণভাবে জানি যে এগুলি সামরিক উপকরণ ধারণ করতে পারে, যার মধ্যে কিছু বিষাক্ত যেমন ক্ষেপণাস্ত্রের জন্য প্রপেলেন্ট এবং জ্বালানী।”
ইরান ইতিমধ্যে গুরুতর পরিবেশগত চাপের সম্মুখীন, যার মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী পানি সংকট এবং বাড়তে থাকা বায়ু দূষণ অন্তর্ভুক্ত। যদি ইরানি সরকার ক্ষমতায় থাকে, তবে এটি পরিষ্কারের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে কতটা খোলামেলা হবে তা স্পষ্ট নয়।
রাশিয়ার ইউক্রেনে যুদ্ধের ফলে ২৩০ মিলিয়ন টন CO2 সমতুল্য উৎপন্ন হয়েছে, যা পরিবেশের উপর চাপ বাড়িয়ে দিচ্ছে। ইরানে চলমান সংঘাতের কারণে পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা কঠিন। স্থানীয় পরীক্ষার অভাবের কারণে দূষণের সঠিক মাত্রা মূল্যায়ন করা কঠিন।
দূষণের দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য প্রভাব জনসংখ্যার উপর সম্পূর্ণরূপে বোঝা যায়নি। পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া গেলে, এটি স্থানীয় জনগণের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
ইরানের পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য একটি উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবেশগত সংকটের এই নতুন মাত্রা মানব স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার জন্য একটি গুরুতর হুমকি।



