ইসরায়েল এবং লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতির ঘোষণার বিষয়টি কি? ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে একটি ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে।
ট্রাম্পের মতে, এই যুদ্ধবিরতি বৃহস্পতিবার বিকেল ৫ টায় (মার্কিন পূর্ব উপকূল সময়) শুরু হবে। লেবানিজ প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এই চুক্তি নিশ্চিত করেছেন।
এই যুদ্ধবিরতি মূলত লেবাননের একটি কেন্দ্রীয় দাবি ছিল, যা সংঘাতের শুরু থেকেই উঠে এসেছে। সংঘাত চলাকালে, ইসরায়েলি বাহিনী লেবাননে ২,১৯৬ জনের বেশি মানুষকে হত্যা করেছে।
ট্রাম্প মার্কিন কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন যে তারা ইসরায়েল এবং লেবাননের মধ্যে স্থায়ী সমাধানের দিকে কাজ করবে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, এই যুদ্ধবিরতি পারস্পরিক সম্মতিতে বাড়ানো যেতে পারে।
ট্রাম্প বলেছেন, তিনি নেতানিয়াহু এবং জোসেফ আউনকে সরাসরি আলোচনা করতে আমন্ত্রণ জানাবেন। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, কারণ এটি দুই দেশের মধ্যে সরাসরি কূটনৈতিক যোগাযোগের প্রথম সুযোগ হতে পারে গত কয়েক দশকে।
ইরানও লেবাননে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার জন্য একটি দৃঢ় দাবি করেছে, যা সম্ভাব্য আলোচনার আগে প্রয়োজনীয় ছিল। তবে, ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা ট্রাম্পকে সমালোচনা করেছেন এবং বলেছেন যে তিনি অন্যান্য দেশকে হুমকি দেওয়ার অধিকার রাখেন না।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে — এই শান্তি প্রক্রিয়া কতটা কার্যকর হবে? পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হলে আবারও সংঘাত শুরু হতে পারে। বিশ্লেষকরা বলছেন, শক্তিশালী নেতাদের শান্তি বজায় রাখার জন্য আরও দায়িত্বশীল হওয়া উচিত — এটি বর্তমান পরিস্থিতিতে অত্যন্ত জরুরি।



