“মহান স্বাধীনতা দিবস আমাদের সাহস, ত্যাগ ও দেশপ্রেমের আত্মাকে নতুন করে উদ্দীপিত করে।” এই মন্তব্যটি করেছেন প্রধানমন্ত্রী তরিক রহমান, যিনি ২০২৬ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশ স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিয়ে কথা বলছিলেন।
বাংলাদেশ ২০২৬ সালে তার ৫৬তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করবে। এই উপলক্ষে, প্রধানমন্ত্রী তরিক রহমান ২৫ মার্চ একটি স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করেছেন, যার মূল্য ১০ টাকা।
স্বাধীনতা দিবসের উদযাপন শুরু হবে সকাল ১০টা থেকে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে একটি আনুষ্ঠানিক প্যারেডের মাধ্যমে, যা দুপুর ১২:৩০ পর্যন্ত চলবে।
রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন স্বাধীনতার উদ্দেশ্যগুলোকে তুলে ধরেছেন, যেখানে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এবং নাগরিকদের ক্ষমতায়নের গুরুত্ব রয়েছে।
সারা দেশে এই দিনটি উপলক্ষে বিভিন্ন স্মরণীয় কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে, যা জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবে।
এই দিনটির শেষ হবে সন্ধ্যায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে একটি কনসার্টের মাধ্যমে, যা সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১১:৩০ পর্যন্ত চলবে।
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিশেষ ডাকটিকিটও প্রকাশ করা হবে, যা দেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
প্রধানমন্ত্রী তরিক রহমানের উদ্ধৃতির মাধ্যমে স্বাধীনতার গুরুত্ব এবং জনগণের জন্য এর অর্থ বোঝা যায়।
এছাড়া, রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন বলেছেন, “আমাদের স্বাধীনতার অসম্পূর্ণ আকাঙ্ক্ষাগুলো বাস্তবায়নের জন্য সমতা, সুশাসন, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে চেষ্টা করুন।”
বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জন করেছিল এবং এই দিনটি দেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
এখন পর্যন্ত, বিস্তারিত নিশ্চিত করা হয়নি।



