বৃহত্তর চিত্র
রিমা হাসান, একজন ৩৩ বছর বয়সী ফরাসি-প্যালেস্টাইনী আইনজীবী এবং কর্মী, ফ্রান্সে আটক হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে যে তিনি ‘জঙ্গিবাদের প্রতি সমর্থন’ জানিয়েছেন। এই ঘটনার ফলে রাজনৈতিক চাপের একটি নতুন অধ্যায় উন্মোচিত হয়েছে, যা ফ্রান্সের রাজনৈতিক পরিবেশকে প্রভাবিত করছে।
হাসানকে আটক করা হয়েছে একটি সামাজিক মিডিয়া পোস্টের কারণে, যেখানে তিনি কোজো ওকামোটোর উল্লেখ করেছেন। এই পোস্টটি ১৯৭২ সালের একটি হামলার সাথে সম্পর্কিত, যেখানে ২৬ জন মানুষ নিহত হয়েছিল। এই ঘটনার পর, হাসানকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয় এবং তার কাছে কিছু সিন্থেটিক ড্রাগ পাওয়া যায়।
হাসান ২০২৪ সালে ইউরোপীয় সংসদে নির্বাচিত হন এবং তিনি গাজায় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচক হিসেবে পরিচিত। তার দল, লা ফ্রান্স ইনসুমিস, তার আটককে প্যালেস্টাইন সমর্থকদের বিরুদ্ধে একটি ভয় দেখানোর প্রচেষ্টা হিসেবে নিন্দা করেছে।
হাসান তার আটককে ‘আদালতীয় হয়রানি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, “আমি আমার রাজনৈতিক মতামতের কারণে সত্যিকার অর্থে বিচারিক ও রাজনৈতিক হয়রানির শিকার।” এই বক্তব্য তার রাজনৈতিক অবস্থানকে আরও স্পষ্ট করে।
ফ্রান্সের রাজনৈতিক নেতা জঁ-লুক মেলেঞ্চন বলেন, “এখন ফ্রান্সে সংসদীয় ইমিউনিটি আর নেই। এটি অগ্রহণযোগ্য।” এই মন্তব্যগুলি হাসানের আটককে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও উস্কে দিয়েছে।
হাসানকে জুলাই মাসে আদালতে হাজির হতে হবে, যেখানে তার বিরুদ্ধে ‘জঙ্গিবাদের প্রচার’ করার অভিযোগে বিচার হবে। এ পর্যন্ত, তাকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য দুটি সমন প্রদান করা হয়েছে।
এদিকে, হাসানের রাজনৈতিক অবস্থান এবং তার আটক নিয়ে আলোচনা চলতে থাকবে। তবে, বিস্তারিত তথ্য এখনও নিশ্চিত নয়।



