নেতানিয়াহুর সামরিক অভিযান
বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করেছেন যে, এই অভিযান “এখনও শেষ হয়নি”। নেতানিয়াহু বলেন, এই অভিযান ইরানের ধর্মীয় নেতৃত্বকে দুর্বল করার লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে।
নেতানিয়াহুর বক্তব্য অনুযায়ী, ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে তার যুদ্ধের লক্ষ্য অর্জনে সময়ের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এই অভিযানের উদ্দেশ্য হল ইরানের কর্তৃপক্ষকে দুর্বল করা, যাতে তারা তাদের সীমান্তের বাইরে আক্রমণ করতে না পারে।
নেতানিয়াহু বলেন, “আমাদের আকাঙ্ক্ষা হল ইরানি জনগণকে অত্যাচারের জাল থেকে মুক্তি দেওয়া; শেষ পর্যন্ত, এটি তাদের উপর নির্ভর করে।” তিনি আরও জানান যে, এই অভিযানের লক্ষ্য ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি শেষ করা ছাড়াও আরও বিস্তৃত।
ফ্রান্সে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন যে, এই অভিযান কয়েক সপ্তাহ স্থায়ী হবে। তিনি বলেন, “যখন আমাদের এই যুদ্ধের সময়কাল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, আমরা বলেছিলাম এটি কয়েক সপ্তাহ স্থায়ী হবে। সেটি পরিবর্তিত হয়নি।”
নেতানিয়াহুর বক্তব্যের পাশাপাশি, জোশুয়া জারকা উল্লেখ করেছেন যে, হেজবোল্লাহর অস্ত্রহীনকরণ লেবাননের সরকারের জন্য একটি পছন্দ। তিনি বলেন, “যা এটি শেষ করবে তা হল হেজবোল্লাহর অস্ত্রহীনকরণ — এবং এটি লেবাননের সরকারের জন্য একটি পছন্দ।”
ইরানের নতুন কৌশল হল তাদের প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে একটি দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের ধৈর্য এবং সহিষ্ণুতা। এই পরিস্থিতি ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে আরও জটিল করে তুলছে।
বর্তমানে, নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে একটি সামরিক অভিযান পরিচালনা করছে, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।
অবশ্যই, পরিস্থিতি এখনও পরিবর্তনশীল এবং ভবিষ্যতে কী ঘটবে তা নিশ্চিত নয়।



