ইরান সময় এখন পরিস্থিতি অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার রাত ৮ টার মধ্যে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খোলার জন্য হুমকি দিয়েছেন, অন্যথায় ইরানের অবকাঠামো ধ্বংস করা হবে।
ট্রাম্পের এই হুমকির প্রেক্ষিতে ইরানের সামরিক বাহিনী তা “বিভ্রান্তিকর” বলে অভিহিত করেছে, এবং তারা বলেছে যে, এই ধরনের হুমকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অঞ্চলে অক্ষমতা আড়াল করতে পারে না।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী তেহরানের তিনটি বিমানবন্দরে হামলা চালিয়েছে, যেখানে ইরানি বিমান ও হেলিকপ্টারগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
একটি প্রকল্পনা কেন্দ্রীয় তেহরানে একটি সিনাগগে আঘাত করেছে এবং তা ধ্বংস করেছে।
ইরান একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে, কারণ তারা অতীতের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের কথা উল্লেখ করেছে।
ইরান দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধির বিষয়ে একটি সমঝোতার দাবি করেছে।
মাশহাদ থেকে ট্রেন চলাচল বাতিল করা হয়েছে, কারণ ইসরায়েল ইরানিদেরকে রাত ৯ টা পর্যন্ত রেলপথ ব্যবহার না করার সতর্কতা দিয়েছে।
ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস ট্রাম্পের হুমকির বাস্তবায়ন হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্রদের তেল ও গ্যাস থেকে বঞ্চিত করার হুমকি দিয়েছে।
এখন পর্যন্ত ৩৯ দিন ধরে চলা মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ১৫ জন আমেরিকান আহত হয়েছে।
ট্রাম্প বলেছেন, “যদি ইরান চুক্তির সময়সীমা মিস করে, তবে একটি ‘সম্পূর্ণ সভ্যতা আজ রাতে মারা যাবে।’”
ইরানের সামরিক বাহিনী ট্রাম্পের হুমকিকে “বিভ্রান্তিকর” বলে অভিহিত করেছে।
বিশ্লেষকরা আশা করছেন যে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে এবং বিস্তারিত এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।



