২০২৬ সালের ৫ এপ্রিল, মারাকানায় অনুষ্ঠিত ব্রাজিলিয়ান লীগে সান্তোস এফসি এবং ফ্লামেঙ্গোর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। এই ম্যাচের আগে সান্তোস এফসি ১৪তম স্থানে ছিল এবং তাদের পয়েন্ট ছিল ১০। তারা এই ম্যাচে প্রবেশ করে একটি সংকটময় অবস্থায়, কারণ তাদের গত কয়েকটি ম্যাচে দুইটি ড্র এবং দুইটি পরাজয় ছিল।
ম্যাচের আগে, সান্তোসের তারকা খেলোয়াড় নেইমার একটি পূর্ববর্তী ম্যাচে হলুদ কার্ড পাওয়ার কারণে এই ম্যাচে অংশগ্রহণ করতে পারেননি। এই পরিস্থিতিতে, সান্তোসের জন্য ম্যাচটি আরও কঠিন হয়ে পড়ে। ফ্লামেঙ্গো তাদের শক্তিশালী দল নিয়ে মাঠে নামে, যেখানে ব্রুনো হেনরিক, আরাস্কেতা এবং লিও পেরেইরা ছিলেন।
Key moments
ম্যাচের ৪৮তম মিনিটে সান্তোস এফসি প্রথম গোলটি করে, লিও অরটিজের মাধ্যমে। কিন্তু ফ্লামেঙ্গো ৬৪তম মিনিটে জে ইভাল্ডোর একটি আত্মঘাতী গোলের মাধ্যমে সমতা ফেরায়। এরপর, ৭১তম মিনিটে জর্গিনহোর পেনাল্টি গোলের মাধ্যমে ফ্লামেঙ্গো ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে, ৯০তম মিনিটে লুকাস প্যাকেতার একটি গোল ফ্লামেঙ্গোকে ৩-১ ব্যবধানে বিজয়ী করে।
এই পরাজয়ের ফলে সান্তোসের পয়েন্ট সংখ্যা ১০ এ অপরিবর্তিত থাকে এবং তারা রেলিগেশন জোনের কাছাকাছি অবস্থান করে। অন্যদিকে, ফ্লামেঙ্গো ১৭ পয়েন্ট নিয়ে লীগে চতুর্থ স্থানে উঠে আসে।
ম্যাচ শেষে, অ্যাথলন স্পোর্টস জানায়, “নেইমার শুধুমাত্র ৫ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখে ফ্লামেঙ্গোর বিরুদ্ধে ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ এবং আশা করা হচ্ছে যে তিনি পরবর্তী ম্যাচে অ্যাটলেটিকো মাইনেইরোর বিরুদ্ধে খেলতে পারবেন।”
সান্তোসের জন্য এই পরাজয়টি একটি বড় ধাক্কা, কারণ তারা তাদের পরবর্তী ম্যাচে কোপা সুদামেরিকানা গ্রুপ ডি-তে ভালো ফলাফলের জন্য মনোযোগ দিতে হবে। তবে, সান্তোসের জন্য একটি অনিশ্চয়তা রয়েছে, কারণ নেইমারের সম্ভাব্য ১২ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে বিস্তারিত এখনও নিশ্চিত নয়।
ফুটবল বিশ্লেষকরা বলছেন, “ফ্লামেঙ্গো এই ম্যাচে পেনাল্টি থেকে ১০টি গোল করেছে, যা তাদের শক্তিশালী অবস্থানকে নির্দেশ করে।” সান্তোসের জন্য এটি একটি সংকটময় সময়, এবং তাদের জন্য পরবর্তী ম্যাচগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।



