মূল মুহূর্তগুলো
২০২৬ সালের ১২ মার্চ, হাঙ্গেরির বুদাপেস্টের গ্রুপামা অ্যারেনায় ব্রাগা এবং ফেরেঞ্চভারের মধ্যে অনুষ্ঠিত প্রথম লেগের ম্যাচে ফেরেঞ্চভারের ২-০ ব্যবধানে জয় হয়েছে। এই ম্যাচে ফেরেঞ্চভারের জন্য গাভ্রিয়েল কানিচোস্কি ৩২তম মিনিটে প্রথম গোলটি করেন এবং লেনি জোসেফ ৬৮তম মিনিটে দ্বিতীয় গোলটি করেন।
এটি ব্রাগা এবং ফেরেঞ্চভারের মধ্যে প্রথমবারের মতো মুখোমুখি হওয়া। ব্রাগা এই ম্যাচে পুরোপুরি বেগুনি রঙের জার্সি পরে মাঠে নেমেছিল। ফেরেঞ্চভারের এই জয় তাদের ইউরোপা লিগের কোয়ার্টার-ফাইনালে পৌঁছানোর সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিয়েছে।
ব্রাগা এখন তাদের ইউরোপা লিগ অভিযানকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে এই দুই গোলের ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে হবে। তারা এই মৌসুমে ইউরোপা লিগের মূল পর্যায়ে ৯টি ম্যাচ খেলেছে, যার মধ্যে ২টি ম্যাচে পরাজিত হয়েছে।
ফেরেঞ্চভারের জন্য এই ম্যাচটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তারা ৪১ বছর পর কোন হাঙ্গেরি দলের পক্ষ থেকে ইউরোপের কোন বড় প্রতিযোগিতায় কোয়ার্টার-ফাইনালে পৌঁছানোর সুযোগ পেতে পারে। ব্রাগার অধিনায়ক রিকার্ডো হোর্তা তাদের শেষ ৪টি ঘরের ম্যাচে গোল করেছেন, যা তাদের জন্য একটি ইতিবাচক দিক।
যদিও ফেরেঞ্চভারের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে তারা ইউরোপা লিগে তাদের শেষ ৮টি ম্যাচের মধ্যে ৫টিতে পরাজিত হয়েছে। তবে, এই ম্যাচের ফলাফল ফেরেঞ্চভারের সমর্থকদের জন্য দীর্ঘদিন মনে রাখার মতো হবে।
ম্যাচের পর, রবি কীন মন্তব্য করেছেন, “এটি বাড়ির বাইরে সত্যিই কঠিন হতে চলেছে।” এছাড়াও, উভয় পক্ষই তাদের নিজ নিজ লীগে গত সপ্তাহান্তে অংশগ্রহণ করেনি, তাই তারা এই ম্যাচে সতেজ হয়ে প্রবেশ করবে।
ব্রাগা তাদের পরবর্তী ম্যাচে ফেরেঞ্চভারের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে খেলবে, যেখানে তারা এই দুই গোলের ঘাটতি কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করবে। তবে, ফেরেঞ্চভারের ইতিহাস বলছে তারা প্রথম লেগে জয় পাওয়া সত্ত্বেও প্রতিযোগিতা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে।
ব্রাগার জন্য এটি একটি চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে, কারণ তাদের ইউরোপা লিগ অভিযান এখন ঝুঁকির মধ্যে। বিস্তারিত এখনও নিশ্চিত নয়।



