২০২৬ সালের ২১ মার্চ, ইরান ডিয়েগো গার্সিয়া সামরিক ঘাঁটিতে মিসাইল হামলার দাবি অস্বীকার করেছে। ইরানের কর্মকর্তারা এই হামলার অভিযোগকে একটি ‘ইসরায়েলি মিথ্যা পতাকা’ আক্রমণ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিসাইলগুলি ডিয়েগো গার্সিয়া ঘাঁটির দিকে ছোঁড়া হয়েছিল, তবে সেগুলি ঘাঁটিতে আঘাত করেনি। যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ইরানের কর্মকাণ্ডকে ব্রিটিশ স্বার্থের জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেছে।
ডিয়েগো গার্সিয়া ঘাঁটিতে প্রায় ২,৫০০ জন প্রধানত আমেরিকান কর্মী অবস্থান করছেন। ইরানের মিসাইলের পরিসীমা সম্পর্কে দাবি করা হয়েছে যে এটি পূর্বে কল্পনা করা সীমার চেয়ে বেশি।
ইসরায়েলের সামরিক প্রধান দাবি করেছেন যে ইরান একটি দুই-স্তরের আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যবহার করেছে যার পরিসীমা ৪,০০০ কিলোমিটার। তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন যে তারা ইচ্ছাকৃতভাবে মিসাইলের পরিসীমা ২,০০০ কিলোমিটারের নিচে সীমাবদ্ধ রেখেছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, “আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে ২,০০০ কিলোমিটারের নিচে সীমাবদ্ধ ourselves করেছি কারণ আমরা বিশ্বের অন্য কারো জন্য হুমকি হতে চাই না।”
ইরানের কর্মকাণ্ডকে “অঞ্চলে আক্রমণাত্মক আচরণ” হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যা ব্রিটিশ স্বার্থের পাশাপাশি দেশের মিত্রদের জন্যও হুমকি।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যের সামরিক ঘাঁটিতে হামলার এই ঘটনা আন্তর্জাতিক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
মিসাইলগুলি ঘাঁটির কাছে কতটা নিকটে এসেছিল তা এখনও স্পষ্ট নয়। ইরান দ্বারা ছোঁড়া মিসাইলগুলির প্রকৃতি সম্পর্কে সঠিক তথ্য নিশ্চিত করা হয়নি।
মেহর নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, “ইরান ডিয়েগো গার্সিয়া সামরিক ঘাঁটিতে দুইটি ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুঁড়েছে।”
বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর প্রতিক্রিয়া এবং ইরানের কর্মকাণ্ডের উপর নজর রাখা হচ্ছে।



