সংখ্যাগুলি
২০২৬ সালের ২০ মার্চ, ইরান টেল আবিবের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে, যার ফলে সেখানে ক্ষয়ক্ষতি ও আহতের ঘটনা ঘটেছে। এই হামলায় চারটি আলাদা স্থানে ছয়জন মানুষ সামান্য আহত হয়েছে।
ইরান একই দিনে ডিয়েগো গারসিয়ার দিকে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে। একটি ক্ষেপণাস্ত্র উড়ান চলাকালীন ভেঙে পড়ে এবং অপরটি মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দ্বারা ধ্বংস করা হয়। ডিয়েগো গারসিয়া ইরানের থেকে প্রায় ২,৫০০ মাইল (৪,০০০ কিলোমিটার) দূরে অবস্থিত।
ইরান দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন করছে, যার মধ্যে স্বল্প-পরিসরের এবং মধ্যবর্তী-পরিসরের ক্ষেপণাস্ত্র অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে ফাতেহ, শাহাব-৩, সেজ্জিল এবং খোরামশাহর সিস্টেম রয়েছে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রগুলি সরাসরি ইসরায়েলে পৌঁছাতে সক্ষম, যার পরিসীমা ১,২৫০ মাইল (২,০০০ কিমি) পর্যন্ত।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ক্ষমতা “হ্রাস পেয়েছে” কিন্তু সম্পূর্ণরূপে নিঃশেষিত হয়নি। ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন যে, ইরান যুদ্ধকালীন অবস্থাতেও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন করতে সক্ষম।
যুদ্ধের আগে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা প্রায় ২,৫০০ থেকে ৬,০০০ ছিল। বর্তমানে, ইরান মাসে ৪০টি ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে সক্ষম, যা যুদ্ধের শুরুতে ৩০০টি ছিল।
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কার্যক্রমের উপর আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া এসেছে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, “ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ক্ষমতা কার্যকরভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে।” তবে বিশ্লেষক বুরকু ওজসেলিক বলেছেন, “ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের ক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে, কিন্তু নিঃশেষিত হয়নি।”
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন ক্ষমতার উপর চলমান সংঘাতের প্রভাব সম্পূর্ণরূপে জানা যায়নি। বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করা হয়নি।



