কৃষ্ণী নোমকে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি হিসেবে বরখাস্ত করা হয়েছে
২০২৬ সালের ৬ মার্চ, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কৃষ্ণী নোমকে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি হিসেবে বরখাস্ত করেন। মার্কওয়েন মুলিনকে তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
নোমের বরখাস্তের পেছনের কারণ
নোমের বরখাস্তের পেছনে তার পারফরম্যান্সের কারণে সমালোচনা ছিল, বিশেষ করে কংগ্রেসীয় শুনানিতে। মিনিয়াপোলিসে ইমিগ্রেশন অপারেশনের সময় দুইজন মার্কিন নাগরিককে ফেডারেল কর্মকর্তাদের দ্বারা গুলি করে হত্যা করা হয়, যা নোমের অস্থিতিশীল অবস্থানে অবদান রেখেছিল।
নোম প্রথম কেবিনেট সচিব যিনি ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে পদত্যাগ করলেন। ট্রাম্প নোমের ইমিগ্রেশন কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং তার সাক্ষ্য দেওয়ার সময়ও সমালোচনা করেন।
নোমের নতুন ভূমিকা
নোমকে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি থেকে বরখাস্ত করার পর, তাকে “দ্য শিল্ড অফ দ্য আমেরিকাস” এর বিশেষ দূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ট্রাম্প বলেন, “নোম আমাদের জন্য ভাল কাজ করেছেন এবং সীমান্তে অসংখ্য ফলাফল অর্জন করেছেন।”
নোমের নেতৃত্বে সমস্যা
নোমের নেতৃত্বের সময়, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। তার শীর্ষ উপদেষ্টা কোস্ট গার্ড কর্মীদের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছিলেন, যা পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে।
নোমের অধীনে, ২২০ মিলিয়ন ডলারের করদাতাদের অর্থায়নে ইমিগ্রেশন প্রচারণার জন্য বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তার কার্যক্রমের ফলে উভয় রিপাবলিকান এবং ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতাদের কাছ থেকে সমালোচনা হয়েছিল।
পর্যবেক্ষকদের প্রত্যাশা
নোমের বরখাস্তের পর, রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা আশা করছেন যে নতুন সেক্রেটারি মার্কওয়েন মুলিন ট্রাম্পের ইমিগ্রেশন এজেন্ডাকে আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করবেন। তবে, নোমের পদত্যাগের ফলে হোমল্যান্ড সিকিউরিটির অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি কিভাবে পরিবর্তিত হবে তা এখনও নিশ্চিত নয়।
নোমের বরখাস্তের ঘটনাটি ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়, যা তাদের ইমিগ্রেশন নীতির উপর প্রভাব ফেলতে পারে।



