যা পর্যবেক্ষকরা বলছেন
“যুদ্ধ চলাকালীন দেশের শক্তি সরবরাহের স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে।” ফিলিপাইনসের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র এই মন্তব্য করেছেন, যখন তিনি ফিলিপাইনসের জাতীয় শক্তি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। এই জরুরি অবস্থার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এসেছে, যা আন্তর্জাতিক শক্তি বাজারে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করেছে।
ফিলিপাইনস সরকার এই জরুরি অবস্থার মাধ্যমে জ্বালানির মূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং বিকল্প সরবরাহকারীদের কাছ থেকে দ্রুত আমদানি করার ক্ষমতা পাবে। সরকারী সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশটির কাছে প্রায় ৪৫ দিনের জ্বালানি মজুদ রয়েছে, যা সাধারণ ব্যবহারের ভিত্তিতে পর্যাপ্ত।
এই জরুরি অবস্থার ঘোষণা এক বছরের জন্য কার্যকর থাকবে। সরকার একটি কমিটি গঠন করেছে, যা প্রয়োজনীয় পণ্যের সুষ্ঠু সরবরাহ, বিতরণ এবং প্রাপ্যতা নিশ্চিত করবে। আন্তর্জাতিক শক্তি বাজারে অস্থিতিশীলতার কারণে তেলের দামে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটেছে, যা দেশের অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলছে।
সরকার ১ মিলিয়ন ব্যারেল তেল সংগ্রহের জন্য কাজ করছে, যাতে একটি নিরাপত্তা মজুদ তৈরি করা যায়। তবে, পরিবহন শ্রমিক এবং ভোক্তা সংগঠনগুলি জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে দুই দিনের ধর্মঘটের পরিকল্পনা করছে।
বর্তমানে, বিশ্ব অর্থনীতি একটি বড় হুমকির সম্মুখীন, যা ১৯৭০-এর দশকে ঘটে যাওয়া শক্তি সংকটের সম্মিলিত প্রভাবকে ছাড়িয়ে গেছে। ফিলিপাইনসের জন্য এই পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক, কারণ এটি দেশের অর্থনীতির উপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে।
প্রেসিডেন্ট মার্কোস জুনিয়র আরও বলেন, “জাতীয় শক্তি জরুরি অবস্থার ঘোষণা সরকারকে বিদ্যমান আইনগুলির অধীনে প্রতিক্রিয়া এবং সমন্বিত ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ দেবে, যা বিশ্ব শক্তি সরবরাহ এবং দেশীয় অর্থনীতিতে বিঘ্নের ঝুঁকি মোকাবেলা করতে সহায়তা করবে।”
তবে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের ফিলিপাইন পেসো এবং রেমিট্যান্সের উপর সঠিক প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত এখনও নিশ্চিত নয়।



