উত্তর কোরিয়া সাগর জাপানে প্রায় ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে। এই ঘটনা ঘটেছে ২০২৬ সালের ১৪ই মার্চ, যখন দক্ষিণ কোরিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যৌথ সামরিক মহড়া চালাচ্ছিল। উত্তর কোরিয়া থেকে সুনান এলাকা থেকে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ছোঁড়া হয়।
দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী স্থানীয় সময় দুপুর ১:২০ টায় ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণ শনাক্ত করে। জাপানও একটি প্রকল্পের উৎক্ষেপণের খবর দিয়েছে, যা একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হতে পারে।
এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কয়েকশ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে সমুদ্রে পড়ে। উত্তর কোরিয়ার এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাগুলো তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং নিউক্লিয়ার অস্ত্রের সক্ষমতা উন্নয়নের অংশ।
উত্তর কোরিয়া আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে। উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বলেছেন, “উত্তর কোরিয়া এগুলোকে ‘ভয়ঙ্কর, বিধ্বংসী আক্রমণের’ উপায় হিসেবে ব্যবহার করবে, যদি কোনো প্ররোচনা বা আক্রমণ হয়।”
এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ দক্ষিণ কোরিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের “ফ্রিডম শিল্ড” সামরিক মহড়ার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।
উত্তর কোরিয়া যৌথ সামরিক মহড়াগুলোকে আগ্রাসনের প্রস্তুতি হিসেবে দেখে এবং বারবার তাদের বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ঘটনার পর উত্তর কোরিয়া আরও ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালাতে পারে। তবে বিস্তারিত তথ্য এখনও নিশ্চিত নয়।



