পহেলা বৈশাখ ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা শহরে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ২০২৬ সালের ১৫ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হবে, যা বাংলা ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের শেষ দিন এবং ১৪৩৪ বঙ্গাব্দের প্রথম দিন।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, উদযাপনের জন্য তারা ১৪টি নিরাপত্তা চেকপয়েন্ট স্থাপন করেছে। এই চেকপয়েন্টগুলির মাধ্যমে দর্শকদের প্রবেশ করতে হবে। বিশেষ করে রমনা পার্ক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো প্রধান স্থানে বড় জমায়েতের আশা করা হচ্ছে।
পুলিশের একজন কর্মকর্তা, মোঃ সারওয়ার, বলেছেন, “সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ যাতে জাতীয় উৎসবটি নির্বিঘ্নে উদযাপন করতে পারে, সে জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।” তিনি আরও জানান, “উদযাপনের কেন্দ্রবিন্দুতে কোনো সন্ত্রাসী হুমকি নেই।”
পহেলা বৈশাখের জন্য ফুডপান্ডার পাণ্ডামার্ট ১১ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত ৫০% পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে। এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে গ্রাহকরা বৈশাখী উৎসবের জন্য প্রস্তুতি নিতে পারবেন। জনপ্রিয় বৈশাখী খাবারের মধ্যে রয়েছে ইলিশ, মুরগি এবং ঐতিহ্যবাহী স্ন্যাকস।
চৈত্র মাসের শেষ দিনে, ১৪ এপ্রিল, চায়নাউটের ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান সকাল ৬:১৫ থেকে ৮:২৫ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। এর পর, সকাল ৯:০০টায় বৈশাখী শোভাযাত্রা শুরু হবে। রমনা পার্কে প্রবেশের জন্য দর্শকদের ৫:০০টায় শেষ সময়ে প্রবেশ করতে হবে।
পহেলা বৈশাখ বাংলাদেশের বাঙালি সম্প্রদায়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক উৎসব। এই দিনটি নতুন বছরের সূচনা হিসেবে পালিত হয় এবং বাঙালিরা এটি বিভিন্ন রঙিন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদযাপন করে।
পহেলা বৈশাখ ২০২৬ উদযাপনের জন্য ঢাকা শহরের প্রস্তুতি চলছে এবং জনগণের মধ্যে উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। এই উৎসবটি বাঙালি সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং এটি দেশের মানুষের মধ্যে ঐক্য ও বন্ধন সৃষ্টি করে।



