Key moments
রমজান ২০২৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি সৌদি আরবে শুরু হয় এবং ভারতের জন্য এটি ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়। মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য এটি একটি বিশেষ সময়, যেখানে তারা এক মাস ধরে রোজা রাখে, প্রার্থনা করে এবং আত্ম-নিবেদনের মাধ্যমে নিজেদেরকে প্রস্তুত করে। এর আগে, রমজান শুরু হওয়ার সময় সাধারণত চাঁদের দৃশ্যমানতার উপর নির্ভর করে, যা মুসলিমদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
এই বছর, চাঁদ দেখা যাওয়ার সময় ১৯ মার্চ ২০২৬, সৌদি আরবে ৬:২৫ PM এ প্রত্যাশিত। এটি মুসলিমদের জন্য ঈদ-উল-ফিতরের প্রস্তুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। ঈদ-উল-ফিতর, যা রমজান মাসের শেষে আসে, সাধারণত চাঁদ দেখা যাওয়ার পর উদযাপিত হয়। সৌদি আরবে ঈদ-উল-ফিতর ২০ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে এবং ভারতের জন্য এটি ২১ মার্চ।
রমজান মাসের সময়, মুসলিমরা সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোজা রাখে, যা তাদের আত্ম-নিয়ন্ত্রণ এবং ধৈর্যের শিক্ষা দেয়। ইফতার, যা রোজা ভাঙার সময়, সাধারণত সূর্যাস্তের সময় হয়। এই সময়ে পরিবারের সদস্যরা একত্রিত হয়ে খাবার গ্রহণ করে এবং একে অপরের সাথে সময় কাটায়।
রমজান মাসে জাকাত আল-ফিতর, যা ঈদের নামাজের আগে দেওয়া হয়, একটি বাধ্যতামূলক দান। এটি মুসলিমদের মধ্যে দানশীলতা এবং সহানুভূতির অনুভূতি বাড়ায়। ঈদ-উল-ফিতর, যা “রোজা ভাঙার উৎসব” হিসেবেও পরিচিত, মুসলিমদের মধ্যে দানশীলতা এবং সামাজিক সংহতির একটি উদাহরণ।
ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন করার সময়, মুসলিমরা একে অপরকে শুভেচ্ছা জানায় এবং দান-দক্ষিণের মাধ্যমে সমাজে সহায়তা করে। এটি একটি সামাজিক দিন, যা প্রিয়জনদের সাথে মিলিত হওয়ার এবং একে অপরের সুখ-দুঃখ ভাগ করার সুযোগ দেয়।
রমজান ২০২৬ এর সময়, মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে এই পরিবর্তনগুলি স্পষ্টভাবে দেখা যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, এই সময়ের ধর্মীয় গুরুত্ব এবং সামাজিক সংহতি মুসলিমদের মধ্যে একটি শক্তিশালী বন্ধন তৈরি করে। এটি তাদের মধ্যে একতা এবং সহযোগিতার অনুভূতি বাড়ায়।
ঈদ-উল-ফিতরের ইতিহাস প্রফেট মুহাম্মদ এর সময় থেকে শুরু হয়, যখন তিনি এই উৎসবটি রমজান মাসের শেষে একটি কৃতজ্ঞতা এবং সামাজিক দিন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন। এই ঐতিহ্য আজও মুসলিমদের মধ্যে অটুট রয়েছে এবং প্রতি বছর উদযাপিত হয়।
এখন, রমজান ২০২৬ এর আগমনের সাথে সাথে, মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি নতুন উদ্দীপনা এবং আশা দেখা যাচ্ছে। তবে, কিছু তথ্য এখনও নিশ্চিত নয়।



