ইদ উল ফিতর ২০২৬ এ বাংলাদেশে ২০ বা ২১ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে, যা চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে। এই বছরের জন্য, বাংলাদেশ সরকার ১৭ মার্চ থেকে সাত দিনের পাবলিক ছুটি ঘোষণা করেছে, যা ইদ উল ফিতরের উদযাপনের জন্য নির্ধারিত।
বাংলাদেশে ২১ মার্চ সাধারণ ছুটির দিন হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। এছাড়াও, ১৮ মার্চ একটি অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে যাতে মানুষ ইদের জন্য ভ্রমণ করতে পারে।
আরব আমিরাতে, ইদ উল ফিতর ২০২৬ শুক্রবার পড়ছে, যা ইদ এবং শুক্রবারের নামাজ একসাথে আদায়ের বিষয়ে প্রশ্ন তুলছে।
সৌদি সুপ্রিম কোর্ট ১৮ মার্চ চাঁদ দেখার জন্য মুসলমানদের আহ্বান জানিয়েছে, যাতে শাওয়াল মাসের শুরু এবং ইদ উল ফিতর নির্ধারণ করা যায়। যদি ওইদিন চাঁদ দেখা যায়, তাহলে ইদ পরের দিন উদযাপিত হবে; অন্যথায়, রমজান ৩০ দিন পূর্ণ হবে।
ইদ নামাজ সাধারণত সূর্যোদয়ের কিছু পরে অনুষ্ঠিত হয়, এবং পরে আরব আমিরাতে শুক্রবারের (জুম্মা) নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
ইদ উল ফিতর মুসলমানদের জন্য সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। এই উৎসবের সময় মুসলমানরা একত্রিত হয়ে নামাজ আদায় করে এবং একে অপরের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করে।
চাঁদ দেখা নিয়ে কিছু অনিশ্চয়তা রয়েছে। বাংলাদেশের জন্য ইদ উল ফিতরের সঠিক তারিখ চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করছে। সৌদি আরবে ১৮ মার্চ চাঁদ দেখা যাবে কিনা, তা নিশ্চিত নয়।
এই উৎসবের সময় মুসলমানদের মধ্যে একতা এবং ভ্রাতৃত্বের অনুভূতি বৃদ্ধি পায়, যা সমাজে একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
এখনো কিছু তথ্য নিশ্চিত করা হয়নি।