বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ভারতকে মোকাবেলা করা কেমন?
sam curran সম্প্রতি ঘোষণা করেছেন যে ইংল্যান্ড ভারতকে মোকাবেলা করতে কোন ভয় পাবে না T20 বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে। এই বক্তব্যটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্থাপন করে: ইংল্যান্ড কি সত্যিই ভারতকে হারাতে সক্ষম হবে?
curran এর আত্মবিশ্বাসের পেছনে কিছু শক্তিশালী পরিসংখ্যান রয়েছে। তিনি এই বিশ্বকাপে সাতটি ম্যাচে ছয়টি উইকেট নিয়েছেন, যার গড় ২৫ এর বেশি এবং অর্থনীতি ৮.৬০। ২০২২ সালের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিজয়ী দলের অংশ হিসেবে curran “প্লেয়ার অফ দ্য টুর্নামেন্ট” নির্বাচিত হয়েছিলেন।
এখন পর্যন্ত, ইংল্যান্ড এবং ভারত দুইবার T20 বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে, যেখানে প্রতিটি দল একটি করে ম্যাচ জিতেছে। ২০২২ সালে ইংল্যান্ড ১০ উইকেটে ভারতকে পরাজিত করেছিল এবং ২০২৪ সালে ভারত ৬৮ রানে জয়লাভ করেছিল। এই পরিসংখ্যানগুলি সেমিফাইনালের উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলছে।
curran বলেন, “এটি একটি অভিজ্ঞতা যা একজন তরুণ ক্রিকেটারের স্বপ্ন: বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারতের বিরুদ্ধে খেলা।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, গত ১২ মাসে তিনি দলের বাইরে থাকাকে একটি ইতিবাচক অভিজ্ঞতা হিসেবে দেখেছেন।
ভারতের সুর্যকুমার যাদবও সেমিফাইনাল নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন, “অবিশ্বাস্য অনুভূতি। ভারতীয় দলে নেতৃত্ব দেওয়া।” অন্যদিকে, প্রাক্তন ক্রিকেটার কৃশ শ্রীকান্ত curran এর বোলিং নিয়ে সমালোচনা করেছেন, বলছেন, “curran শুধু ব্যাটার হিসেবে খেলছে। নেপাল ম্যাচ বাদে, তার বোলিং খারাপ।”
ভারত সেমিফাইনালে পৌঁছাতে সুপার ৮ গ্রুপ ১ এ দ্বিতীয় স্থানে শেষ করেছে। সঞ্জু স্যামসন টুর্নামেন্টে ৫০ বল থেকে ৯৭ রান করেছেন, যা দলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান। এছাড়াও, বরুণ চক্রবর্তী ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচে ১৪ উইকেট নিয়েছেন, যার গড় ১০ এর নিচে।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, curran কি তার পূর্ববর্তী ফর্ম পুনরুদ্ধার করতে পারবেন? মুম্বাইয়ের পরিবেশ তাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের সুযোগ দেবে, তবে বিস্তারিত এখনও নিশ্চিত নয়।



