দক্ষিণ কোরিয়ার শেয়ার বাজারের পতন
দক্ষিণ কোরিয়ার শেয়ার বাজার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পতনের সম্মুখীন হয়েছে, যা মার্কিন-ইরান যুদ্ধের কারণে ঘটেছে। ২০২৬ সালের ৪ মার্চ, KOSPI সূচক ১২.০৬ শতাংশ কমে গেছে, যা পূর্ববর্তী রেকর্ড ১২.০২ শতাংশের পতনকে অতিক্রম করেছে।
এই পতন মার্কেটের জন্য একটি গুরুতর ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ৩ মার্চ, ২০২৬ তারিখে KOSPI সূচক ৭.২ শতাংশ কমে গিয়েছিল, যা কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ দুই দিনের পতন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার আর্থিক কর্তৃপক্ষ ৮ শতাংশের বেশি ক্ষতির পরে ২০ মিনিটের জন্য সার্কিট ব্রেকার চালু করে। এই পদক্ষেপটি বাজারকে স্থিতিশীল করার জন্য নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তা সত্ত্বেও ক্ষতির পরিমাণ ব্যাপক ছিল।
শিপিং এবং লজিস্টিক কোম্পানিগুলি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কারণ হরমুজ প্রণালীতে ট্রাফিক বন্ধ হয়ে গেছে। এই পরিস্থিতি বিশ্বব্যাপী সরবরাহ চেইনে প্রভাব ফেলেছে।
এদিকে, Roche দক্ষিণ কোরিয়ার স্বাস্থ্যসেবা এবং বায়োটেকনোলজি শিল্পে ৪৮১ মিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ ঘোষণা করেছে। তারা দক্ষিণ কোরিয়ায় বৈশ্বিক ক্লিনিকাল ট্রায়াল পরিচালনা এবং স্থানীয় কোম্পানির সঙ্গে গবেষণা অংশীদারিত্ব বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে।
এছাড়া, Blue Networks কিরগিজস্তানে ৩০০টি ইভি চার্জিং স্টেশন স্থাপনের পরিকল্পনা করেছে, যা ২০২৬ সালের জুলাইয়ের মধ্যে সম্পন্ন হবে। এই প্রকল্পের বাজেট প্রায় ১১ মিলিয়ন ডলার।
কিরগিজস্তানে ২০২৬ সালের শুরুতে ১.৯ মিলিয়ন নিবন্ধিত যানবাহন ছিল, যার মধ্যে ইলেকট্রিক যানবাহনের সংখ্যা প্রায় ০.৮ শতাংশ।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে অর্থনৈতিক শকও দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
বর্তমানে, বাজারের পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন সম্পর্কে বিস্তারিত নিশ্চিত নয়।



