কি ঘটেছে?
সোমবার সকালে মালয়েশিয়ার সাবাহ রাজ্যের উপকূলে ৭.১ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে, যা মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ (USGS) দ্বারা নিশ্চিত করা হয়েছে। ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল কোটা কিনাবালুর উপকূলের ১০০ কিলোমিটারের কম দূরত্বে, ৬১৯.৮ কিলোমিটার গভীরে। ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় রাত ১২:৫৭ মিনিটে (জিএমটি ১৬:৫৭) সংঘটিত হয়।
এদিকে, বুধবার রাতে মিয়ানমারে ৫.১ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে, যা রাজধানী ইয়াঙ্গুনসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অনুভূত হয়। এই ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল মিয়ানমারের সাগাইন অঞ্চলে, যা ঢাকা থেকে ৪৬২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
মালয়েশিয়ার ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে, মার্কিন সুনামি সতর্কতা কেন্দ্র কোনো সতর্কতা জারি করেনি, কারণ ভূমিকম্পের গভীরতা সুনামির সম্ভাবনা কমিয়ে দিয়েছে। মালয়েশিয়ার আবহাওয়া অধিদপ্তর পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। অন্যদিকে, মিয়ানমারের ভূমিকম্পের ফলে রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে কম্পন অনুভূত হলেও, ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
পরবর্তী কি হবে?
মালয়েশিয়ার আবহাওয়া অধিদপ্তর ভূমিকম্পের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রাখবে। মিয়ানমারের ভূমিকম্পের পরও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সতর্কতা অবলম্বন করছে। ভবিষ্যতে ভূমিকম্পের সম্ভাবনা এবং তার প্রভাব সম্পর্কে জনসাধারণকে সচেতন করা হবে।



