১৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে এশিয়ায় ১,৬৫১ ফ্লাইট বিলম্বিত এবং ৯৯ ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এই পরিস্থিতি বিমানযাত্রীর জন্য একটি বড় অসুবিধা সৃষ্টি করেছে, বিশেষ করে শাংহাই, সিঙ্গাপুর এবং ব্যাংকক সহ বিভিন্ন প্রধান বিমানবন্দরে।
শাংহাই পুদং বিমানবন্দর ১৮৮টি বিলম্ব এবং ১৫টি বাতিলের সম্মুখীন হয়েছে, যা এই অঞ্চলের সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি। সিঙ্গাপুর চাঙ্গি বিমানবন্দরে ১১৪টি ফ্লাইট বিলম্বিত হয়েছে এবং ৭টি বাতিল হয়েছে। ব্যাংকক সুভর্ণভূমি বিমানবন্দরে ১৭১টি বিলম্ব এবং ৯টি বাতিলের ঘটনা ঘটেছে।
দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী বিমানবন্দরে ১৮০টি ফ্লাইট বিলম্বিত হয়েছে এবং ৫টি বাতিল হয়েছে। জাকার্তার সোকর্ণো-হাট্তা বিমানবন্দরে ১৮৫টি বিলম্ব এবং ১৪টি বাতিল হয়েছে। এই পরিস্থিতি এশিয়ার অন্যান্য বিমানবন্দরেও ছড়িয়ে পড়েছে।
ভারতের ইন্ডিগো এয়ারলাইন্স একাধিক হাবের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিলম্বের সম্মুখীন হয়েছে। অন্যদিকে, চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইন্স ১৫টি বাতিলের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি বাতিলের রেকর্ড করেছে। ক্যাথায় প্যাসিফিক ৯১টি বিলম্ব এবং এয়ার ইন্ডিয়া ৮৬টি বিলম্বের ঘটনা ঘটিয়েছে।
বাতিক এয়ার ১৩টি বাতিলের ঘটনা ঘটিয়েছে, তবে হংকং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কোন বাতিল ছাড়াই উচ্চ বিলম্বের পরিমাণের সম্মুখীন হয়েছে।
এই পরিস্থিতির পেছনে অপারেশনাল জটিলতা এবং এয়ারলাইন-নির্দিষ্ট সমস্যা রয়েছে। ১৪ এপ্রিলের এই বিঘ্নগুলি এশিয়ার বিমান পরিবহন ব্যবস্থার উপর একটি বড় চাপ সৃষ্টি করেছে।
এখনও কিছু তথ্য নিশ্চিত করা হয়নি। পর্যবেক্ষকরা আশা করছেন যে এই পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হবে, তবে বিমানযাত্রীদের জন্য এটি একটি কঠিন সময়।



