balendra shah — BD news

Balendra shah

বালেন্দ্র শাহের বিজয়

“এটি আশা এবং পরিবর্তনের বিজয়।” এই কথাগুলি বলেছিলেন রামেশ পাউদ্যল, যখন বালেন্দ্র শাহের নির্বাচনী বিজয়ের খবর ছড়িয়ে পড়ে। শাহ, যিনি রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতা পার্টির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন, ২০২৬ সালের ৫ই মার্চ অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ঝাপা-৫ আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন।

বালেন্দ্র শাহ ৬৮,৩৪৮ ভোট পেয়ে কেপি শর্মা ওলিকে ১৮,৭৩৪ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন, যা ৪৯,৬১৪ ভোটের মার্জিন তৈরি করে। রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতা পার্টি এই নির্বাচনে ১৬৫টি সরাসরি আসনের মধ্যে ১২২টি আসন জয়লাভ করে। শাহের এই বিজয় নেপালের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা একটি প্রজন্মের পরিবর্তনকে নির্দেশ করে।

শাহের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শুরু হয় ২০২২ সালে, যখন তিনি কাঠমান্ডু মেট্রোপলিটন সিটির মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে মেয়রের পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং এরপর দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হতে প্রস্তুত হন। শাহের বিজয় একটি যুব নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের ফলস্বরূপ এসেছে, যা ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে শুরু হয় এবং পূর্ববর্তী সরকারের পদত্যাগে সহায়ক হয়।

রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতা পার্টি মাত্র তিন বছর আগে গঠিত হয়েছিল এবং এটি নেপালের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে নতুন একটি শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এই নির্বাচনের ফলাফল দেশের তরুণ ভোটারদের মধ্যে একটি নতুন আশা এবং পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে এসেছে। শাহের বিজয় নিয়ে কেপি শর্মা ওলি বলেন, “বালেন বাবু, আপনার বিজয়ের জন্য অভিনন্দন।”

শাহের বিজয় শুধু একটি রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়, বরং এটি একটি সামাজিক পরিবর্তনেরও প্রতীক। যুব সমাজের মধ্যে এই পরিবর্তনকে স্বাগত জানানো হচ্ছে এবং এটি আগামী দিনে নেপালের রাজনীতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

বালেন্দ্র শাহের নির্বাচনী বিজয় দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপর একটি নতুন আলো ফেলেছে। “এটি একটি পরিষ্কার বার্তা দেয় যে যারা ক্ষমতায় আসে, তাদের জবাবদিহি করতে হবে,” বলেন ভাওয়ানা রাউত।

নির্বাচনের পরবর্তী পদক্ষেপগুলি এখনও নিশ্চিত নয়। তবে, শাহের নেতৃত্বে নেপালের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন পরিবর্তন আসবে, যা দেশের উন্নয়নে সহায়ক হবে।