যুদ্ধের আগে, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর অবস্থান ছিল শক্তিশালী। ইরানের বিরুদ্ধে চলমান উত্তেজনার মধ্যে, নেতানিয়াহু দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন। তবে সম্প্রতি ইরানী রাষ্ট্র মিডিয়া নেতানিয়াহুর মৃত্যুর বা আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ার গুজব ছড়িয়ে দেয়, যা পরিস্থিতি পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে দেখা যায়।
নেতানিয়াহু এই গুজবের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন, যা জেরুজালেমের এক ক্যাফেতে ধারণ করা হয়। ভিডিওতে তিনি বলেন, “আমি আমার জনগণের জন্য পাগল।” এই ভিডিওটি প্রকাশের মাধ্যমে নেতানিয়াহু তার জীবিত থাকার প্রমাণ দেন এবং জনগণের মধ্যে আতঙ্ক কমানোর চেষ্টা করেন।
যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে, নেতানিয়াহু ইরানের বিপক্ষে হামলার পর দুইটি শহর পরিদর্শন করেন, যেগুলো ইরানি মিসাইল দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে হামলা শুরু করে এবং এর পর থেকে ১২ দিন ধরে যুদ্ধ চলছে।
এদিকে, ইরানের বিপ্লবী গার্ডস নেতানিয়াহুকে লক্ষ্য করে হামলার হুমকি দেয়। তারা বলেছে, “যদি এই শিশু-হত্যাকারী অপরাধী জীবিত থাকে, তবে আমরা তাকে পুরো শক্তি দিয়ে অনুসরণ ও হত্যা করতে থাকব।”
নেতানিয়াহু ১৬ মার্চ ইরানিদের জন্য নওরুজের শুভেচ্ছা পাঠান, যেখানে তিনি চাহারশানবে সুরি উৎসবের উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “ইরানের সাহসী জনগণের জন্য, আমি প্রতি বছর যেভাবে শুভেচ্ছা জানাই, এবারও তাই জানাচ্ছি।”
নেতানিয়াহুর ভিডিও বার্তা এবং ইরানের প্রতিক্রিয়া উভয়ই যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে একটি নতুন পরিস্থিতি তৈরি করেছে। নেতানিয়াহুর প্রথম প্রেস কনফারেন্সটি ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়, যা যুদ্ধের শুরু থেকে তার প্রথম জনসমক্ষে উপস্থিতি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক অবস্থানকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। যুদ্ধের সময়ে নেতানিয়াহুর জনপ্রিয়তা এবং ইরানের প্রতিক্রিয়া উভয়ই গুরুত্বপূর্ণ।
যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নেতানিয়াহুর অবস্থান এবং ইরানের প্রতিক্রিয়া নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে, বিস্তারিত এখনও নিশ্চিত নয়।



