সংখ্যাগুলি
ব্রাজিল এবং ফ্রান্সের মধ্যে আসন্ন ম্যাচটি ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ব্রাজিলের দল গত কয়েক বছরে তাদের আন্তর্জাতিক আধিপত্য পুনরুদ্ধারে সংগ্রাম করছে। তারা কনমেবল বিশ্বকাপ কোয়ালিফায়ারে পঞ্চম স্থানে শেষ করেছে, যেখানে তাদের শেষ পাঁচটি ম্যাচের মধ্যে মাত্র দুটি জয় পেয়েছে।
অন্যদিকে, ফ্রান্স তাদের ইউরোপীয় কোয়ালিফায়ার গ্রুপ ডি-তে শীর্ষে রয়েছে এবং সব প্রতিযোগিতায় তাদের সাত ম্যাচের অপরাজিত রান রয়েছে। ফ্রান্সের কোচ ডিডিয়ের দেশঁ এই ম্যাচটিকে তাদের দলের প্রস্তুতির জন্য একটি সুযোগ হিসেবে দেখছেন।
ব্রাজিলের শেষ ম্যাচটি ফ্রান্সের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালে একটি বন্ধুত্বপূর্ণ ম্যাচ ছিল, যেখানে ব্রাজিল ৩-১ ব্যবধানে জয়ী হয়েছিল। তবে, বর্তমান পরিস্থিতি ভিন্ন। ব্রাজিলের দলে গ্যাব্রিয়েল, আলিসন বেকার এবং আলেক্স সান্দ্রোর মতো গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়রা অনুপস্থিত থাকবেন।
ফ্রান্সের দলে উইলিয়াম সালিবা, ম্যানু কনে এবং জুলস কুন্দে ইনজুরির কারণে খেলতে পারবেন না। কাইলিয়ান এমবাপ্পে, যিনি অলিভিয়ার জিরু’র ৫৭ গোলের রেকর্ডের কাছে পৌঁছানোর জন্য মাত্র দুটি গোল দূরে রয়েছেন, ফ্রান্সের জন্য একটি বড় শক্তি।
দুটি দলের সম্ভাব্য শুরুর একাদশে ব্রাজিলের মধ্যে এডারসন, ওয়েসলি, ব্রেমার, মার্কিনহোস, ডি সান্তোস, রাফিনহা, ক্যাসেমিরো, এ. সান্তোস, ভিনিসিয়াস জুনিয়র, কুনহা এবং পেদ্রো অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। ফ্রান্সের সম্ভাব্য একাদশে মাইগন, গুস্তো, কনাতে, আপামেকানো, টি. হার্নান্দেজ, টচুয়ামেনি, রাবিওট, অলিজে, চেরকি, এমবাপ্পে এবং ডেম্বেলে থাকতে পারে।
ম্যাচের পূর্বাভাস নিয়ে বিভিন্ন মতামত রয়েছে। কিছু বিশেষজ্ঞ মনে করেন, “আমরা বলছি: ব্রাজিল ১-৩ ফ্রান্স।” অন্যদিকে, কিছু বিশ্লেষক ফ্রান্সের ৩-২ ব্যবধানে জয়ের সম্ভাবনা দেখছেন।
ম্যাচটি গিলেট স্টেডিয়ামে, ম্যাসাচুসেটস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হবে এবং স্থানীয় সময় সকাল ১০:০৭ মিনিটে শুরু হবে। এই ম্যাচটি বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং উভয় দলের জন্যই এটি একটি বড় পরীক্ষা।



