ক্রুজেইরো বনাম আটলেটিকো মাইনেইরো ম্যাচে রেড কার্ডের ঘটনা
২০২৬ সালের ৯ মার্চ, বেলো হরিজন্তে অনুষ্ঠিত Campeonato Mineiro ফাইনালে ক্রুজেইরো ১-০ ব্যবধানে আটলেটিকো মাইনেইরোকে পরাজিত করেছে। তবে ম্যাচটি শুধু ফলাফলের জন্য নয়, বরং বিশৃঙ্খলার জন্যও স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
ম্যাচের শেষের দিকে একটি বিশাল মারামারি ঘটে, যেখানে ২৩ জন খেলোয়াড়কে রেড কার্ড দেখানো হয়। এর মধ্যে ১২টি রেড কার্ড ক্রুজেইরোর খেলোয়াড়দের এবং ১১টি আটলেটিকো মাইনেইরোর খেলোয়াড়দের দেওয়া হয়। এই মারামারি ক্রিশ্চিয়ান এবং এভেরসনের মধ্যে একটি অশান্তির কারণে শুরু হয়েছিল।
ম্যাচের রেফারি মাতেউস ডেলগাডো কান্দানকান এই ঘটনার পর রেড কার্ডগুলো প্রদানের সিদ্ধান্ত নেন। মারামারিটি এক মিনিটেরও বেশি সময় ধরে চলেছিল এবং এতে খেলোয়াড়, সাবস্টিটিউট এবং কোচিং স্টাফ সবাই জড়িত ছিল।
ম্যাচের ৬০তম মিনিটে ক্রুজেইরোর জন্য গোল করেন কাইও জর্জ, যা ম্যাচের একমাত্র গোল ছিল। তবে গোলের পরের সময়ে ঘটে যাওয়া বিশৃঙ্খলা পুরো ম্যাচের আবহাওয়াকে পাল্টে দেয়।
হাল্ক, যিনি ব্রাজিলের আন্তর্জাতিক ফুটবল দলের সদস্য ছিলেন, এই মারামারির সময় রেড কার্ড পান। তিনি বলেন, “এটি দুঃখজনক, আমি কখনোই ফুটবল ম্যাচে এত সহিংসতা দেখিনি।”
এই ঘটনা ব্রাজিলের ফুটবলের ইতিহাসে অন্যতম সবচেয়ে কুখ্যাত সংঘর্ষ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ২০২৬ সালের Campeonato Mineiro ফাইনালটি ২৩টি রেড কার্ড প্রদানের মাধ্যমে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে, যা পূর্ববর্তী ২২টি রেড কার্ডের রেকর্ডকে অতিক্রম করেছে।
টাইটে, ক্রুজেইরোর কোচ, বলেছেন, “আমি ক্রুজেইরো ভক্তদের প্রতি আমার ভালোবাসা এবং সম্মান প্রকাশ করতে চাই।” তবে, মারামারির কারণ হিসেবে ক্রিশ্চিয়ানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে যে তিনি এভেরসনকে “মাথায় অত্যধিক শক্তি এবং উচ্চ তীব্রতায় আঘাত করেছেন।” অন্যান্য ২১ জন খেলোয়াড়কে রেড কার্ড দেওয়া হয়েছিল তাদের মধ্যে মারামারির সময় প্রতিপক্ষকে আঘাত করার জন্য।



