নতুন হামলার ঢেউ
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান নতুন হামলার ঢেউ শুরু করেছে, যার ফলে সৌদি আরব, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওপর আক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সংঘাতের ফলে ২০২৩ সালের ৭ মার্চ পর্যন্ত ২২০ জন মার্কিন সেনা এবং কমান্ডার নিহত বা আহত হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান।
ইরান এই পর্যায়ে প্রথমবারের মতো হাইপারসনিক মিসাইল ব্যবহারের ঘোষণা দিয়েছে। এই হামলার মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য আক্রমণ ছিল বাহরাইনে মার্কিন পঞ্চম নৌবাহিনীর লক্ষ্যবস্তুতে, যেখানে ২১ জন মার্কিন কর্মী নিহত এবং কয়েকজন আহত হয়েছে।
এছাড়াও, আল-ধাফরা বিমানঘাঁটিতে হামলার ফলে প্রায় ২০০ জন মার্কিন সেনা নিহত বা আহত হয়েছে। সৌদি আরবের আল-খারজের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
এই সাম্প্রতিক সহিংসতার চক্রটি ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়, যখন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে একটি অঘোষিত সামরিক অভিযান শুরু করে। ইরানি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ঘোষণা করেছেন যে, “ইরান কখনো যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের কাছে আত্মসমর্পণ করবে না।”
উত্তরাঞ্চলীয় পারস্য উপসাগরে একটি মার্কিন মালিকানাধীন তেলের ট্যাঙ্কারে হামলার ঘটনাও ঘটেছে, যা এই সংঘাতের নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
এই সংঘাতের মধ্যে মার্কিন সেনাদের ওপর হামলার সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় আন্তর্জাতিক উদ্বেগ বাড়ছে। তবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা কোনো স্বাধীন আন্তর্জাতিক সূত্র দ্বারা হতাহতের দাবিগুলি এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।
এখন পরিস্থিতি কীভাবে পরিবর্তিত হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়া এবং সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা নিয়ে আলোচনা চলছে, তবে তা এখনও নির্দিষ্ট নয়।



