uae opec — BD news

ইউএই অপেক থেকে বেরিয়ে যাওয়া সৌদি আরবের নেতৃত্বের উপর একটি বড় আঘাত।

যুক্তরাষ্ট্রের তেল উৎপাদনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটছে। ২০২৬ সালের ১ মে ইউএই অপেক ত্যাগ করতে যাচ্ছে। এই পদক্ষেপ সৌদি আরবের নেতৃত্বকে বড় আঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সৌদি আরব এবং ইউএই অপেক উৎপাদন কোটার বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধে রয়েছে। ইউএই বর্তমানে ৩.২ থেকে ৩.৬ মিলিয়ন ব্যারেল তেল উৎপাদন করছে, কিন্তু এর ৪.৮ মিলিয়ন ব্যারেল দৈনিক অতিরিক্ত উৎপাদনের ক্ষমতা রয়েছে।

ইউএইর এই সিদ্ধান্তে সৌদি আরবকে আরও বেশি নিজেদের তেল উৎপাদনে নির্ভর করতে হবে। ইউএইর প্রস্থান অপেকের মধ্যে সৌদি নেতৃত্বের উপর চাপ সৃষ্টি করবে।

মূল তথ্য:

  • ২০২৬ সালের ১ মে ইউএই অপেক এবং ওপেক+ জোট ত্যাগ করবে।
  • সৌদি আরবকে দাম স্থিতিশীল রাখতে নিজেদের উৎপাদন কাটতে হবে।
  • ইউএইর প্রস্থান অপেকের কোটার ব্যবস্থাপনার প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করে।

ইউএই বর্তমানে ফুজাইরাহ বন্দরে দৈনিক ১.৮ মিলিয়ন ব্যারেল তেল স্থানান্তর করছে। এই পরিবর্তনে অন্যান্য উৎপাদকরা তাদের অপেক সদস্যপদ পুনর্বিবেচনা করতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “বিশ্ব আরও শক্তির প্রয়োজন। ইউএই কোন গ্রুপ দ্বারা সীমাবদ্ধ হতে চায়নি,” বলেছেন সুহাইল আল মাজারুই।

এছাড়া, জর্জ লিওন উল্লেখ করেছেন, “৪.৮ মিলিয়ন ব্যারেলের ক্ষমতা হারানো অপেকের হাত থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম তুলে নিচ্ছে।”

অপেকের ভবিষ্যৎ একত্রিত হওয়ার বিষয়ে সন্দেহ বাড়ছে, বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে এটি পুরো সংগঠনকে ভেঙে দিতে পারে।

অপেকে ইউএইর সদস্যপদ ৬০ বছর ছিল এবং এটি কাতারের পর দ্বিতীয় দেশ যা সংগঠন ছেড়ে যাচ্ছে।