লেবাননে ইসরায়েলি হামলার প্রভাব
লেবাননের রাজধানী বৈরুতের আল-ক্বারদ আল-হাসান আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী হামলা চালিয়েছে। এই হামলার ফলে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে ৮% জনসংখ্যা বাধ্যতামূলক উচ্ছেদের শিকার হয়েছে।
লেবাননের জাতীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, হামলার সময় আল-ক্বারদ আল-হাসান ভবনটি লক্ষ্যবস্তু ছিল। এই প্রতিষ্ঠানটি ২০০৭ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে।
ইসরায়েলি বিমান হামলা বৈরুতের ঘোবেয়ারি এবং হারেত হ্রেইক এলাকায়ও আঘাত হেনেছে। ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া হামলায় ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে এবং ৫১৭,০০০ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন জাতিসংঘকে জানিয়েছেন যে, লেবানন আলোচনা পুনরায় শুরু করার জন্য প্রস্তুত। ২০২৪ সালের নভেম্বরে হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরায়েলের একটি ceasefire চুক্তি হয়েছিল।
এই সংঘাতের সূত্রপাত হয় যখন ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ হামলা চালায়। বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলের বাসিন্দারা বাধ্যতামূলক উচ্ছেদের সতর্কতা সত্ত্বেও এলাকা ছাড়তে অস্বীকার করছেন।
বৈরুতের নোয়ারি এলাকাটি ঘনবসতিপূর্ণ এবং এখানে অনেক অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত মানুষ বাস করছেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের পরামর্শ সত্ত্বেও অনেক displaced ব্যক্তি এলাকা ছাড়তে চান না।
জানা গেছে, “বাসিন্দারা ‘চাপে’ রয়েছেন।” সাংবাদিক জেইনা খোদর বলেছেন, “ইসরায়েল সতর্কতা জারি করলেও, প্রায়শই হামলা পূর্ব নোটিশ ছাড়াই আসে।”
এখনো পরিস্থিতি অস্থিতিশীল এবং ভবিষ্যতে কী ঘটবে তা অনিশ্চিত। বিস্তারিত নিশ্চিত করা হয়নি।



