“লজিস্টিকস শক্তিশালী করা, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা এবং উচ্চ মানের পোশাক খাতে সম্প্রসারণ করা বাংলাদেশের গার্মেন্টস বাজারের প্রতিযোগিতা বজায় রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে,” বলেছেন বাংলাদেশ ব্যাংক।
বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের দৃষ্টিভঙ্গি বর্তমানে কিছুটা সতর্ক। গার্মেন্টস শিল্পের রপ্তানি কার্যক্রম প্রধানত প্রধান আমদানিকারক দেশগুলোর অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং বৈশ্বিক সরবরাহ চেইনের স্থিতিশীলতার ওপর নির্ভর করছে।
বর্তমানে, গার্মেন্টস খাতের কাছ থেকে অর্জিত রপ্তানি আয় অক্টোবর-ডিসেম্বর সময়কালে মোট রপ্তানি আয়ের ৮০.৩৬ শতাংশ। তবে, এই খাত থেকে অর্জিত আয় ৯.৭৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের তুলনায় ৫.৯৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
গার্মেন্টস খাতের মধ্যে, নিটওয়্যার রপ্তানি ৪১.৮৮ শতাংশ এবং বোনা রপ্তানি ৩৮.৪৮ শতাংশ অবদান রেখেছে। অন্যদিকে, কৃষি পণ্য, পাটজাত সামগ্রী এবং চামড়াজাত পণ্যের অবদান যথাক্রমে ৪.৪০ শতাংশ, ৩.৩৫ শতাংশ এবং ২.৩৯ শতাংশ।
বাংলাদেশের গার্মেন্টস রপ্তানির শীর্ষ গন্তব্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি এবং যুক্তরাজ্য, যা মোট রপ্তানির ৭০.০৭ শতাংশ।
গার্মেন্টস রপ্তানির প্রতিযোগিতার ওপর উৎপাদন খরচ, বিনিময় হার এবং লজিস্টিক অবস্থার প্রভাব রয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে, গার্মেন্টস শিল্পের জন্য নিকটবর্তী দৃষ্টিভঙ্গি কিছুটা মৃদু সতর্ক, কারণ বাহ্যিক চাহিদার অনিশ্চয়তা এবং নতুন সুযোগগুলো সামনে আসছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক চাহিদার অবস্থা এবং মুদ্রাস্ফীতি চাপের সঠিক প্রভাব গার্মেন্টস খাতে স্পষ্ট নয়। বিস্তারিত নিশ্চিত করা হয়নি।
এই পরিস্থিতিতে, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক প্রদত্ত পরামর্শগুলি গার্মেন্টস খাতের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে।



