photo — BD news

Photo: ফটো: জাপানে বিবাহের সংখ্যা কমছে

জাপান বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ জনসংখ্যাগত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। ২০২৪ সালে, দেশটির জন্মহার রেকর্ড নিম্ন ১.১৫% এ পৌঁছেছে, যা উদ্বেগজনক। ২০২০ সালে প্রায় ৫২০,০০০ বিয়ের নিবন্ধন হয়েছিল, যা ২০২৫ সালে প্রায় ৪৮৫,০০০ এ কমে যাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে, লাভি ফ্যাক্টরি ২০০০ সালে ছোট আকারের, সাশ্রয়ী বিবাহের অনুষ্ঠান শুরু করে। প্রতিষ্ঠানটি জাপানের বিভিন্ন স্থানে প্রায় ৫০০টি লোকেশন পরিচালনা করে এবং ৪০০ জন ইন-হাউজ ফটোগ্রাফার এবং ৪০০ জন ফ্রিল্যান্সার নিয়োগ করে।

লাভি ফ্যাক্টরির একটি অভ্যন্তরীণ মটো হল, “যেখানে আপনি ভালোবাসেন, যে ফটোগ্রাফারের সাথে ভালোবাসেন, সারা বিশ্বে।” প্রতিষ্ঠানটি তাদের গ্রাহকদের জন্য অতিরিক্ত ছবি তোলার সুযোগ এবং ছবির পর্যালোচনা করার সুবিধা প্রদান করে।

লাভি ফ্যাক্টরি তাদের ফোকাস রেখেছে ফটো বিবাহ এবং ছোট আকারের অনুষ্ঠানের উপর, যা তাদের জন্য উপযুক্ত যারা অন্তরঙ্গ, সাধারণ উদযাপন পছন্দ করেন। প্রতিষ্ঠানটি তাদের গ্রাহকদের সাথে দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ক গড়ে তোলার লক্ষ্য রাখে, শুধুমাত্র বিয়ের অনুষ্ঠান নয়, বরং সকল গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তকে সমর্থন করার মাধ্যমে।

২০২৪ সালে জাপানে প্রায় ৩৬.৯ মিলিয়ন আন্তর্জাতিক পর্যটক আগমন করেছে, যা ২০২৫ সালের শেষে প্রায় ৪০.২ মিলিয়নে পৌঁছানোর পূর্বাভাস রয়েছে। লাভি ফ্যাক্টরির আন্তর্জাতিক ব্যবসা ২০১২ সালে শুরু হয়েছিল এবং তারা ৩০০ বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী হোটেল ‘নিপ্পোনিয়া হারিমা ফুকুসাকি – জোশো নো ইয়াকাতা’ পরিচালনা করে।

জাপানের জনসংখ্যার এই অবনতির প্রেক্ষাপটে লাভি ফ্যাক্টরি ‘জীবন ইভেন্ট’ থেকে ‘জীবন সমর্থন’ পরিষেবায় সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে।

এখন, জাপানের বিবাহের সংখ্যা কমে যাওয়া এবং জন্মহার হ্রাস পাওয়ার কারণে দেশটির ভবিষ্যৎ জনসংখ্যাগত চ্যালেঞ্জগুলি আরও জটিল হয়ে উঠছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পরিস্থিতির কারণে দেশটির সামাজিক এবং অর্থনৈতিক কাঠামোর উপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পড়তে পারে।

এখনও বিস্তারিত নিশ্চিত করা হয়নি।