বাংলাদেশ ব্যাংক বন্ধ কারখানাগুলোর পুনরায় খোলার জন্য একটি বৃহৎ তহবিল গঠনের পরিকল্পনা করছে। এই তহবিলের পরিমাণ ১৫,০০০ থেকে ২০,০০০ কোটি টাকা হতে পারে। এটি দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্ধ থাকা কারখানাগুলোকে পুনরায় চালু করতে সহায়তা করবে।
মূল তথ্য:
- কারখানা পুনরুদ্ধার তহবিলের ঋণের সাধারণ সুদের হার ১৩ শতাংশ হতে পারে, তবে সরকারের সহায়তার মাধ্যমে এটি ৮ শতাংশে কমানো হতে পারে।
- একটি ১৯ সদস্যের কমিটি, যা বাংলাদেশ ব্যাংকের উপ-গভর্নর মো. কবির আহমেদ দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে, তহবিলের জন্য একটি বিস্তৃত নীতি তৈরি করছে।
- বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ১০০ কোটি টাকার ঋণ সংক্রান্ত তালিকা জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমান বলেছেন, “বন্ধ কারখানাগুলো পুনরায় চালু করা শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে এবং অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে অপরিহার্য।” কিন্তু কিছু কারখানা, যা বড় আর্থিক অপরাধে জড়িত, সেগুলোকে এই তহবিল থেকে বাদ দেওয়া হবে।
অতিরিক্ত তথ্য:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বন্ধ কারখানাগুলোর পুনঃতফসিলের জন্য ঋণ দেবে, যাতে এক কোটি চাকরি সৃষ্টি করা সম্ভব হয়।
- ৫টি ইসলামী ব্যাংকের মধ্যে আটকে থাকা প্রায় ১০,০০০ কোটি টাকা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ থেকে এসেছে।
- এই উদ্যোগটি আগস্ট ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর শুরু হওয়া আর্থিক সংস্কারের ধারাবাহিকতা।
আরিফ হোসেন খান বলেছেন, “বন্ধ কারখানাগুলোকে পুনরুদ্ধারের জন্য সরকার কী ধরনের সহায়তা দিতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা চলছে।” কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন কর্মকর্তাও বলেছেন যে তারা প্রকৃতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত কারখানাগুলো চিহ্নিত করার জন্য ব্যাঙ্কারদের পরামর্শ নিয়েছেন।
এখনকার পরিস্থিতি শ্রমিকদের উপর অনেক চাপ সৃষ্টি করেছে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করে যে এই নতুন উদ্যোগ তাদের জীবনযাত্রা উন্নত করবে এবং অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিতে সাহায্য করবে।



