বাংলাদেশের প্রথম অভিজ্ঞতা
এএফসি মহিলাদের এশিয়ান কাপ ২০২৬-এ বাংলাদেশের প্রথম অভিজ্ঞতা ছিল অত্যন্ত কঠিন। বাংলাদেশ দলের কোচ পিটার বাটলার বলেন, “আমি মনে করি এই স্কোরলাইন ম্যাচের প্রকৃত প্রতিফলন নয়।” এই মন্তব্যটি তার দলের পারফরম্যান্সের প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে।
বাংলাদেশ তাদের গ্রুপ বি’র শেষ ম্যাচে উজবেকিস্তানের কাছে ৪-০ ব্যবধানে পরাজিত হয়। এই ম্যাচে উজবেকিস্তান প্রথম গোলটি করে ১০ মিনিটে, যখন দিয়োরাখন খাবিবুল্লায়েভা গোল করেন। এরপর, ৬২ এবং ৬৬ মিনিটে ডিলডোরা নোজমোভা দুটি গোল করেন, এবং ৮৮ মিনিটে নিলুফার কুদ্রাতোভা শেষ গোলটি করেন।
বাংলাদেশের জন্য এই টুর্নামেন্টটি ছিল একটি কঠিন অভিজ্ঞতা, কারণ তারা পূর্বে চীন প্রজাতন্ত্রের কাছে ২-০ এবং ডিপিআর কোরিয়ার কাছে ৫-০ ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিল। বাংলাদেশের দল এই টুর্নামেন্টে কোনো গোল করতে পারেনি এবং মোট ১১টি গোল খেয়েছে।
পিটার বাটলার আরও বলেন, “আমাদের কাছে কেবল প্রশংসা আছে। তারা অনেকদূর এসেছে… আমি মেয়েদের প্রতি অনেক সম্মান রাখি।” তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ একটি দলের বিরুদ্ধে খেলেছে যা ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৬৩ স্থান উপরে এবং শারীরিকভাবে শক্তিশালী।
বাংলাদেশের জন্য এই টুর্নামেন্টটি একটি শিক্ষণীয় সুযোগ ছিল। বাটলার বলেন, “এটি এই ইভেন্ট থেকে শেখার একটি সুযোগ… আমাদের বাংলাদেশে একটি সঠিক ফুটবল মাঠ নেই, যা একটি সমস্যা।”
বাংলাদেশের ফিফা র্যাঙ্কিং ছিল ১১২তম, যা তাদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ ছিল। উজবেকিস্তান এই টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালে অগ্রসর হয়েছে, যা তাদের জন্য একটি বড় সাফল্য।
এএফসি মহিলাদের এশিয়ান কাপ ২০২৬ টুর্নামেন্টটি ২০২৭ সালের ফিফা মহিলাদের বিশ্বকাপ এবং ২০২৮ সালের অলিম্পিকের জন্য দ্বিগুণ যোগ্যতা স্থান প্রদান করেছে। বাংলাদেশের জন্য এই অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে তাদের উন্নতির জন্য একটি ভিত্তি তৈরি করবে।



