বার্সেলোনা এবং নিউক্যাসলের মধ্যে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি ছিল UEFA চ্যাম্পিয়ন্স লিগের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্ব। প্রথম লেগে ১-১ ড্র করার পর, বার্সেলোনা তাদের ঘরের মাঠ স্পটিফাই ক্যাম্প নউতে নিউক্যাসলের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিল। ইতিহাস অনুযায়ী, বার্সেলোনা তাদের শেষ পাঁচটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে বাড়িতে জয়ী হয়েছে, যা তাদের আত্মবিশ্বাসকে বাড়িয়ে দিয়েছিল।
ম্যাচের শুরু থেকেই বার্সেলোনা আক্রমণাত্মক খেলা শুরু করে। প্রথমার্ধে তারা ৬-২ গোলে এগিয়ে যায়, যা ক্যাম্প নউয়ের দর্শকদের মধ্যে উন্মাদনা সৃষ্টি করে। ম্যাচ শেষে বার্সেলোনা ৭-২ গোলে নিউক্যাসলকে পরাজিত করে। রাফিনহা এবং রবার্ট লেওয়ানডোস্কি উভয়েই দুটি করে গোল করেন, অপরদিকে নিউক্যাসলের জন্য অ্যান্থনি এলাঙ্গা দুটি গোল করেন।
ম্যাচের সময় বার্সেলোনার গোলরক্ষক জোয়ান গার্সিয়া একটি পেশীর আঘাতে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। এই আঘাতের ফলে তার পরবর্তী ম্যাচে খেলা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বার্সেলোনার কোচের মতে, “আমাদের লক্ষ্য হল বার্সেলোনাকে ইউরোপের শীর্ষ আটটি দলের মধ্যে ফিরিয়ে আনা।” এটি স্পষ্ট যে, বার্সেলোনা তাদের ইতিহাসের সেরা সময়ে ফিরে আসার চেষ্টা করছে।
বার্সেলোনা ২০১৫ সালে শেষবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ট্রফি জিতেছিল এবং তারা এখন তাদের সেই সাফল্য পুনরুদ্ধারের জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। স্পটিফাই ক্যাম্প নউতে তারা তাদের সবকটি ইউরোপীয় এবং ঘরোয়া ম্যাচে জয়ী হয়েছে, যা তাদের শক্তিশালী অবস্থানকে নির্দেশ করে।
সংখ্যাগুলি
ম্যাচে বার্সেলোনা ৭টি গোল করেছে এবং নিউক্যাসল ২টি গোল করেছে, যার ফলে মোট স্কোর ৮-৩ হয়েছে। এটি বার্সেলোনার জন্য একটি ঐতিহাসিক জয়, যা তাদের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় খুলে দিয়েছে।
এদিকে, নিউক্যাসল ইউনাইটেড এখনও তাদের ঘরের মাঠ স্ট জেমস’ পার্কে বার্সেলোনার বিরুদ্ধে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কোনো জয় পায়নি। তাদের তিনটি ম্যাচের মধ্যে সবগুলোতেই পরাজয় বরণ করতে হয়েছে।
বার্সেলোনা এবং নিউক্যাসলের এই ম্যাচটি ফুটবল প্রেমীদের জন্য একটি স্মরণীয় ঘটনা হয়ে থাকবে। আগামী দিনে তারা কীভাবে নিজেদের প্রস্তুতি নেয় এবং পরবর্তী ম্যাচে কিভাবে পারফর্ম করে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।



