নাগিন ৭ পর্ব ৩২-এ রাধিকা আসল ড্রাগন হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে, যা দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এই পর্বে, রাধিকার চরিত্রের গোপনীয়তা উন্মোচিত হয় এবং এটি নাটকের মূল মোড় নিয়ে আসে।
পর্বটিতে দেখা যায় যে, ইয়ামান আসলে ড্রাগন নয়, বরং রাধিকার দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত একজন সংগ্রামী অভিনেতা। ইয়ামান জানত রাধিকার জগতের অনেক কিছু, তাই রাধিকা তাকে হত্যা করে।
এই পর্বে একটি উচ্চ-অভিনব লড়াইও প্রদর্শিত হয়, যেখানে নাগিন এবং ড্রাগনের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। দর্শকরা এই লড়াইয়ের জন্য অপেক্ষা করছিলেন এবং এটি তাদের প্রত্যাশা পূরণ করেছে।
বহারানি ইয়ামানের রূপ ধারণ করে পিঙ্কির সাথে বিয়ে করার পরিকল্পনা করে, কিন্তু পরে নিজেকে সরিয়ে নেয়। এই ঘটনাটি নাটকের মধ্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
এছাড়াও, পর্বে ইয়ামানের মৃতদেহ সকলের সামনে প্রকাশিত হয়, যা নাটকের উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলে।
পাশা, অন্য একটি চরিত্র, বালজিত এবং পারমীতের মনে আহানার সম্পর্কে সন্দেহ সৃষ্টি করে, যা নাটকের কাহিনীতে নতুন টুইস্ট নিয়ে আসে।
রাধিকা পুরো পর্ব জুড়ে আহানা এবং ব্যবহারিকভাবে ব্যবহার করে। তার এই আচরণ নাটকের মধ্যে উত্তেজনা এবং নাটকীয়তা বাড়িয়ে দেয়।
নাগিন ৭ শোটি ইকতা কাপূরের দ্বারা প্রযোজিত, যা টেলিভিশন দর্শকদের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
এই পর্বের ঘটনাবলী নিয়ে দর্শকদের মধ্যে আলোচনা চলছে এবং পরবর্তী পর্বে কি ঘটবে তা নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে।
এখনও কিছু তথ্য নিশ্চিত করা হয়নি।



