একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে শর্ট-ফর্ম ভিডিওর অতিরিক্ত ব্যবহার মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।অতিরিক্ত ভিডিও কনটেন্ট দেখার ফলে উদ্বেগ, একাকিত্ব এবং জীবন সন্তুষ্টির স্তর কমে যাচ্ছে। ব্রিটেনের এক তৃতীয়াংশেরও বেশি প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি আনন্দের জন্য পড়া বন্ধ করে দিয়েছেন।
মূল তথ্য:
- শর্ট-ফর্ম ভিডিওর অধিক ব্যবহার উদ্বেগ এবং একাকিত্বের উচ্চ স্তরের সাথে যুক্ত।
- ব্রিটেনের ৩৩% প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি আনন্দের জন্য পড়া বন্ধ করেছেন।
- ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ট্রাফিক আইন ভঙ্গের ক্ষেত্রে ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে অর্থ দাবি করার প্রতারণামূলক বার্তা সম্পর্কে সতর্ক করেছে।
- বিশ্বের অর্ধেকেরও বেশি দেশ এখন গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য ‘কঠিন’ বা ‘অত্যন্ত গুরুতর’ শ্রেণীতে পড়ে গিয়েছে।
- গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে ১৮০টি দেশের গড় স্কোর ২৫ বছরে কখনো এত কম হয়নি।
- গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকের আইনি সূচক গত বছরের তুলনায় সবচেয়ে বেশি হ্রাস পেয়েছে, যা সাংবাদিকতার অপরাধীকরণের বৃদ্ধি নির্দেশ করে।
- ঢাকা শহরে ট্রাফিক আইন ভঙ্গ শনাক্ত করতে ভিডিও ও স্থির চিত্র ব্যবহার করছে DMP।
- ঢাকার প্রধান প্রধান মোড়গুলোতে AI সফটওয়্যার দ্বারা সজ্জিত উন্নত CCTV ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
এই গবেষণার ফলাফলগুলি আমাদের সমাজে ডিজিটাল মিডিয়ার প্রভাব সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্থাপন করে। ভিডিও কনটেন্ট ব্যবহারের এই বৃদ্ধি আমাদের সামাজিক সম্পর্ক এবং মানসিক স্বাস্থ্যকে কি ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে তা নিয়ে চিন্তা করতে হবে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (DMP) একজন কর্মকর্তা বলেছেন, “যদি কোনো প্রতারণামূলক গ্রুপ CCTV ভিত্তিক ট্রাফিক মামলার নাম ব্যবহার করে অর্থ সংগ্রহ করার চেষ্টা করে বা অর্থ দাবি করে বার্তা পাঠায়, তাহলে মানুষকে অনুরোধ করা হচ্ছে নিকটবর্তী পুলিশ স্টেশন বা ট্রাফিক বিভাগে যোগাযোগ করতে।”
গবেষণা থেকে জানা যায় যে ভিডিও কনটেন্ট ব্যবহারের মাত্রা বাড়ানোর ফলে আমাদের মনোযোগ ও মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা হ্রাস পাচ্ছে — যা ভবিষ্যতে আরও বড় সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।
ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা:
- জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো এবং স্বাস্থ্যকর ভিডিও ব্যবহারের প্রচার করা হতে পারে একটি সম্ভাবনা।
- গবেষকদের মতে, এই সমস্যাগুলোর সমাধানের জন্য নতুন নীতিমালা গঠন করা জরুরি হতে পারে।
- ভিডিও কনটেন্ট ব্যবহারের প্রতি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করার জন্য সরকারী উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।
বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে, যা সাংবাদিকতার অপরাধীকরণের দিকে ইঙ্গিত করে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে ২৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম স্কোর এসেছে, যা উদ্বেগজনক একটি প্রবণতা নির্দেশ করে।



